রাজনীতি যখন অনেক সময় ব্যক্তিস্বার্থ আর ক্ষমতার হিসাব-নিকাশে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে, ঠিক তখনই কিছু মানুষ তাদের সততা, আদর্শ ও মানবিক গুণাবলির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নেন।তেমনই একজন ব্যক্তিত্ব বিএনপির জাতীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাজহারুল আলম। তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং একজন মানবিক মানুষ, সমাজসেবক এবং আদর্শিক নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবেও পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের পাশে থেকে তিনি যে আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন, তা রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হচ্ছে ব্যাপকভাবে। রাজনীতিকে তিনি কখনো ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে দেখেননি; বরং মানুষের কল্যাণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের একটি মাধ্যম হিসেবেই গ্রহণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আচরণ ও কর্মধারায় বারবার ফুটে ওঠে দেশপ্রেম, সততা ও গণমানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য, ডা. মাজহারুল আলম একজন বিনয়ী ও সৎ মনের মানুষ।দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা এবং সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাঁকে আলাদা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। কবিতার ছোঁয়ায় ডা. মাজহারুল আলম মানুষের হৃদয়ে যিনি রাখেন ভালোবাসার আলো, আদর্শের পথ বেয়ে চলেন নির্ভীক ভালো, রাজনীতির মঞ্চে তিনি সততার উচ্চারণ,
ডা. মাজহারুল আলম — মানবতার এক অনন্য প্রেরণ।
ক্ষমতার মোহ নয়, মানুষের কল্যাণ যার ধ্যান, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই যেন তাঁর প্রাণ, নম্রতা আর সততায় গড়া যার পথচলা, তাঁর মতো নেতৃত্বেই বদলাবে বাংলার ভবিষ্যৎ ভুবনখানা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রজন্মের জন্য আদর্শিক ও মানবিক রাজনীতির একটি ইতিবাচক উদাহরণ হতে পারেন ডা. মাজহারুল আলম। তাঁর মতো নেতৃত্ব সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।