August 12, 2026, 1:25 pm
শিরোনাম:
শিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শাহ আলম খলিফার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি, পিরুজালীতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ বাউবিতে পিএইচডি গবেষকদের গবেষণা কার্যক্রম মূল্যায়নে প্রথম সেমিনার বায়নাকৃত জমি নিয়ে বিরোধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা, নথি ও সরেজমিনে উঠছে নানা প্রশ্ন ১৪ লাখ টাকার বায়নাপত্রে ১১ লাখ টাকা পরিশোধের উল্লেখ, জমির দখল শাহ আলমের আয়েশার দাবি—আমি কোনো জমি বায়না করিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানালেন ডা. মাজহারুল আলম ভাওয়ালের শালবনে বর্জ্য ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণ বন্ধের দাবি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সামনে বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী করতে পিরুজালী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ  সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ‘সবুজ ক্যাম্পাস’ গড়ার রোডম্যাপ গাকৃবি উপাচার্যের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের অবার্ন ইউনিভার্সিটি ও পারদু ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সমঝোতা স্মারকই সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য টানা বৃষ্টিতে কাপাসিয়ায় বসতঘর ধসে নিঃস্ব পরিবার, খোলা আকাশের নিচে মাসুম মিয়ার স্বজনরা

এবার ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক বসাতে বললেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা বন্ধ করার জন্য ভারত ও চীনের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই তথ্য জানায়। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানো, যেহেতু তারা দেশটির অপরিশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় দুই ক্রেতা।

ব্রিটিশ দৈনিক ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে যে, ট্রাম্প মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন এবং ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের একটি বৈঠকে ফোনে যোগ দিয়ে এই দাবি জানান। ওই বৈঠকে কর্মকর্তারা রাশিয়ার যুদ্ধের অর্থায়ন বন্ধ করার উপায় খুঁজছিলেন। এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত, এখনই প্রস্তুত। তবে এটা তখনই করব যদি আমাদের ইউরোপীয় অংশীদাররা এগিয়ে আসে।’

আরেক কর্মকর্তা জানান যে, ইইউ যদি বেইজিং এবং নয়াদিল্লির ওপর শুল্ক আরোপ করে, তাহলে ওয়াশিংটনও একই পদক্ষেপ নেবে, যার ফলে ভারত ও চীনের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। বর্তমানে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক রয়েছে, আর চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৩০ শতাংশে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, ‘আজ সকালে প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন—সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো বড় অঙ্কের শুল্ক বসানো এবং তা বহাল রাখা, যতক্ষণ না চীন রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করে। ওই তেলের অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।’

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার কারণে হোয়াইট হাউসে হতাশা বাড়ছে এবং এর মধ্যেই ট্রাম্পের এই প্রস্তাব এসেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি দাবি করেছিলেন যে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যুদ্ধ থামাতে পারবেন। এর আগে গত রোববার ক্রেমলিনের ব্যাপক বিমান হামলার পর ট্রাম্প রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেন। পাশাপাশি রাশিয়ার তেল কেনা দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তবে এখন পর্যন্ত শুধু রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

চীনের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন এখনো সুনির্দিষ্টভাবে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। চলতি বছরের এপ্রিলে ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ালেও মে মাসে বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা লাগায় আবার কিছুটা শিথিল করেন।



ফেসবুকে আমরা