August 13, 2026, 1:19 pm
শিরোনাম:
শিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শাহ আলম খলিফার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি, পিরুজালীতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ বাউবিতে পিএইচডি গবেষকদের গবেষণা কার্যক্রম মূল্যায়নে প্রথম সেমিনার বায়নাকৃত জমি নিয়ে বিরোধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা, নথি ও সরেজমিনে উঠছে নানা প্রশ্ন ১৪ লাখ টাকার বায়নাপত্রে ১১ লাখ টাকা পরিশোধের উল্লেখ, জমির দখল শাহ আলমের আয়েশার দাবি—আমি কোনো জমি বায়না করিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানালেন ডা. মাজহারুল আলম ভাওয়ালের শালবনে বর্জ্য ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণ বন্ধের দাবি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সামনে বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী করতে পিরুজালী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ  সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ‘সবুজ ক্যাম্পাস’ গড়ার রোডম্যাপ গাকৃবি উপাচার্যের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের অবার্ন ইউনিভার্সিটি ও পারদু ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সমঝোতা স্মারকই সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য টানা বৃষ্টিতে কাপাসিয়ায় বসতঘর ধসে নিঃস্ব পরিবার, খোলা আকাশের নিচে মাসুম মিয়ার স্বজনরা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভূক্ত কলেজসমূহে সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন নিয়ে আলোচনা

হাবিবুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার।

আয়তন ও অবকাঠামোগত কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিপুল বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। এতে খরচও হয় অনেক। বিদ্যুতের ব্যয় কমানো ও পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন প্রকল্প গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-ইউজিসি। লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে দেশের ৩২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোকেও এ প্রকল্পের আওতায় আনতে চায় ইউজিসি। ওপেক্স মডেলের এই প্রকল্পে সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনে কলেজগুলোকে কোন খরচ করতে হবে না। উৎপাদিত বিদ্যুৎ তারা সাশ্রয়ী মূল্যে ব্যবহার করতে পারবে। আর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা জানান ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান। আলোচনা সভার প্রধান অতিথি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, দেশের উচ্চ শিক্ষার ৭০ শতাংশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। অধিভুক্ত কলেজগুলোর ভৌত অবকাঠামো অনেক ব্যাপক ও বিশাল। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসেও বছরে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যয় হয়। যার খরচও অনেক। বিদ্যুৎ খাতের এই বিশাল ব্যয়ভার কমিয়ে আনতে পারলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় লাভবান হবে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম শামসুল আলম বলেন, দেশের নির্বাচিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রস্তাবিত এই সিস্টেমে যুক্ত হলে বছরে ২৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মোঃ লুৎফর রহমান ও প্রফেসর ড. মোঃ নূরুল ইসলাম এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম আলোচনা সভায় অংশ নেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার অতিরিক্ত পরিচালক সুরাইয়া ফারহানা, পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন ও রিপোর্টিং শাখার সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোঃ আসিফ সিদ্দিক, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল অনুষদের প্রভাষক মোঃ শিহাব উদ্দিন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান ও কর্মকর্তাবৃন্দ ওই সময় উপস্থিত ছিলেন।



ফেসবুকে আমরা