দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ, দুঃসময়ে দলের পাশে থাকা এবং পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তির কারণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) উপদেষ্টা ডা. মাজহারুল আলমকে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চান দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীদের দাবি, ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ডা. মাজহারুল আলম দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো দল পরিবর্তন করেননি। দলের আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি অবিচল থেকে তিনি বছরের পর বছর রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনে মামলা, হামলা, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও তিনি বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে যাননি বলে দাবি করেন নেতাকর্মীরা। তাঁদের মতে, ডা. মাজহারুল আলম একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিবিদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো কলঙ্ক বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নেই বলে দাবি করেন নেতাকর্মীরা। বরং দলের দুঃসময়ে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন, বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে যখন মামলা, হামলা ও নির্যাতনের ভয়ে অনেক নেতাকর্মী রাজপথে নামতে সাহস করতেন না, তখন ডা. মাজহারুল আলম গাজীপুরে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।তিনি নেতাকর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন, সংগঠিত করেছেন এবং দুঃসময়ে দলের পাশে থেকে রাজপথের আন্দোলনকে সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রেখেছেন।নেতাকর্মীদের ভাষ্য, গাজীপুরে বিএনপির কঠিন সময়ে ডা. মাজহারুল আলম ছিলেন দলের অন্যতম ভরসার জায়গা। তাঁর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। কিন্তু বর্তমানে দলের দুঃসময়ে ত্যাগ স্বীকার করা অনেক নেতাকর্মী যথাযথ মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, অতীতে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা কিংবা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কিছু ব্যক্তি বর্তমানে বিএনপিতে এসে গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবি পাওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা মনে করেন, দলীয় নেতৃত্ব নির্ধারণে শুধু বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক পরিচয় নয়—দীর্ঘদিনের ত্যাগ, আদর্শের প্রতি অবিচলতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং দুঃসময়ে দলের জন্য ভূমিকা বিবেচনা করা উচিত। তাঁদের মতে, এসব বিবেচনায় ডা. মাজহারুল আলম গাজীপুর মহানগর বিএনপির নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন। তাঁকে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি করা হলে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে, ত্যাগী নেতাকর্মীরা উৎসাহিত হবেন এবং বিএনপি আরও শক্তিশালী ও চাঙ্গা হবে বলে মনে করেন নেতাকর্মীরা।নেতাকর্মীরা আরও বলেন, একজন পরিচ্ছন্ন, পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতার হাতে মহানগর বিএনপির নেতৃত্ব গেলে দলের মধ্যে শৃঙ্খলা, ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে। ডা. মাজহারুল আলমের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা গাজীপুর বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী, পরীক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন। গাজীপুর মহানগর বিএনপির নেতৃত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে ত্যাগ, আদর্শ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দুঃসময়ে দলের জন্য ভূমিকা রাখাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশা ত্যাগী নেতাকর্মীদের।নেতাকর্মীদের দাবি, ডা. মাজহারুল আলমকে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি করা হলে শুধু দলই আরও শক্তিশালী হবে না, বরং তাঁর নেতৃত্বে গাজীপুরে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে।আর একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত বিএনপি গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তাঁরা