এসো চৌকাঠের এপারে ————–তুমি কতটুকু হাঁটবে, কোন পথে যাবে কি যাবেনা তুমি কতটুকু হাসবে, শব্দ করে, নীরবে নাকি মুক্ত ঝরিয়ে চুলগুলো ছড়িয়ে দেবে, খোপায় পড়বে কি ফুলের গুচ্ছ কার সাথে কিভাবে কথা বলবে, অভিধানের কোন শব্দগুলো উচ্চারণ করবে কি করবেনা, কত গজে কি রঙের কাপড়ে শরীরকে জড়াবে কি জড়াবেনা, অফুরন্ত খাদ্য ভাণ্ডারের কোন খাদ্যটি তোমার জন্য, জ্ঞান সমুদ্রের কোথায়, কত গভীরে তুমি অবগাহন করবে, কোন কাজে তুমি পারদর্শিতা দেখাবে কি দেখাবেনা ———-এ গুরু সমাজ তোমাকে তা বাতলে দিয়েছে। কিন্তু হে নারী, এভাবে আর কত দিন বনসাইয়ের মত বেঁধে রাখবে তোমার চেতনা,মনন, মেধা আর বিকাশকে? বর্গাকৃতির ঐ চৌকাঠ মারিয়ে, টপকিয়ে, সরিয়ে অথবা ভেঙে চলে এসো অনন্তকালের জন্য বুক উজাড় করে নিশ্বাস নাও, চেয়ে দেখ ঐ দিগন্ত পানে জগতবন্ধু ছায়া হয়ে আছে মাথার উপর, ভয় কি, এগিয়ে চলো ———-করুণা, ভিক্ষা, দয়া নয় আর পোড় খাওয়া ঐ তামাটে হাতে মুঠো মুঠো সোনা ছড়িয়ে ভরিয়ে দাও ধরণী, ভরিয়ে দাও স্বীয় আত্মাকে।
++++