August 12, 2026, 1:17 pm
শিরোনাম:
শিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শাহ আলম খলিফার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি, পিরুজালীতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ বাউবিতে পিএইচডি গবেষকদের গবেষণা কার্যক্রম মূল্যায়নে প্রথম সেমিনার বায়নাকৃত জমি নিয়ে বিরোধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা, নথি ও সরেজমিনে উঠছে নানা প্রশ্ন ১৪ লাখ টাকার বায়নাপত্রে ১১ লাখ টাকা পরিশোধের উল্লেখ, জমির দখল শাহ আলমের আয়েশার দাবি—আমি কোনো জমি বায়না করিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানালেন ডা. মাজহারুল আলম ভাওয়ালের শালবনে বর্জ্য ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণ বন্ধের দাবি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সামনে বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী করতে পিরুজালী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ  সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ‘সবুজ ক্যাম্পাস’ গড়ার রোডম্যাপ গাকৃবি উপাচার্যের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের অবার্ন ইউনিভার্সিটি ও পারদু ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সমঝোতা স্মারকই সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য টানা বৃষ্টিতে কাপাসিয়ায় বসতঘর ধসে নিঃস্ব পরিবার, খোলা আকাশের নিচে মাসুম মিয়ার স্বজনরা

রবীন্দ্রনাথ-ভিক্টোরিয়া আখ্যান’ নিয়ে আসছে শব্দঘর: শাহান সাহাবুদ্দিনের ব্যতিক্রমী রচনা লেখা

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও আর্জেন্টিনার প্রখ্যাত সাহিত্যিক ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর সম্পর্ক বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম আলোচিত ও রহস্যময় অধ্যায়। সেই ঐতিহাসিক ও মানবিক সম্পর্ককে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ করে কবি, লেখক ও সাংবাদিক শাহান সাহাবুদ্দিন রচনা করেছেন ‘রবীন্দ্রনাথ-ভিক্টোরিয়া আখ্যান’। বহুল প্রতীক্ষিত এই রচনাটি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে সাহিত্যপত্র ‘শব্দঘর’-এর নতুন সংখ্যায়। ১৯২৪ সালে পেরু সফরের পথে অসুস্থ হয়ে আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে অবস্থান করতে বাধ্য হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সে সময় আর্জেন্টিনার বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো তাঁর সেবাযত্নের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং সান ইসিদ্রোর ‘মিরালরিও’ ভবনে প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় তাঁর থাকার ব্যবস্থা করেন। বহু আগে থেকেই ‘গীতাঞ্জলি’ পাঠে রবীন্দ্রনাথের প্রতি গভীর অনুরাগী ছিলেন ওকাম্পো। সেই পরিচয় পরবর্তীতে গড়ে ওঠে এক অনন্য মানবিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে। গবেষকদের মতে, আর্জেন্টিনায় অবস্থানকালে রবীন্দ্রনাথের সৃজনশীলতায় এই সম্পর্কের গভীর প্রভাব পড়ে। তিনি ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোকে ‘বিজয়া’ নামে সম্বোধন করতেন এবং তাঁকে উৎসর্গ করে একাধিক কবিতা রচনা করেন। দীর্ঘদিন তাঁদের মধ্যে চিঠিপত্রের আদান-প্রদান চলতে থাকে। ১৯৩০ সালে প্যারিসে পুনর্মিলনের সময় ওকাম্পো রবীন্দ্রনাথের আঁকা ছবির প্রথম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর আয়োজনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলা ও আন্তর্জাতিক সাহিত্যসমালোচনায় এই সম্পর্ককে কখনো বন্ধুত্ব, কখনো গভীর মানসিক অনুরাগ, আবার কখনো আধ্যাত্মিক প্রেম হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তবে উভয়েই কখনো প্রকাশ্যে তাঁদের সম্পর্ককে রোমান্টিক বলে সংজ্ঞায়িত করেননি। অধিকাংশ গবেষকের মতে, এটি ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বৌদ্ধিক বিনিময়, গভীর আবেগ ও মানবিক টানের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। শব্দঘর’-এর নতুন সংখ্যায় প্রকাশিতব্য শাহান সাহাবুদ্দিনের এই রচনায় রবীন্দ্রনাথ-ওকাম্পো সম্পর্কের নানা অজানা দিক ও নতুন ব্যাখ্যা উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। সাহিত্যপ্রেমী ও গবেষকদের কাছে এটি বিশেষ আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উল্লেখ্য, সংখ্যাটির প্রচ্ছদ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের আঁকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিকৃতি অবলম্বনে নান্দনিকভাবে নির্মাণ করেছেন ধ্রুব এষ।



ফেসবুকে আমরা