August 13, 2026, 6:25 pm
শিরোনাম:
শিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শাহ আলম খলিফার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি, পিরুজালীতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ বাউবিতে পিএইচডি গবেষকদের গবেষণা কার্যক্রম মূল্যায়নে প্রথম সেমিনার বায়নাকৃত জমি নিয়ে বিরোধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা, নথি ও সরেজমিনে উঠছে নানা প্রশ্ন ১৪ লাখ টাকার বায়নাপত্রে ১১ লাখ টাকা পরিশোধের উল্লেখ, জমির দখল শাহ আলমের আয়েশার দাবি—আমি কোনো জমি বায়না করিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানালেন ডা. মাজহারুল আলম ভাওয়ালের শালবনে বর্জ্য ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণ বন্ধের দাবি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সামনে বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী করতে পিরুজালী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ  সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ‘সবুজ ক্যাম্পাস’ গড়ার রোডম্যাপ গাকৃবি উপাচার্যের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের অবার্ন ইউনিভার্সিটি ও পারদু ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সমঝোতা স্মারকই সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য টানা বৃষ্টিতে কাপাসিয়ায় বসতঘর ধসে নিঃস্ব পরিবার, খোলা আকাশের নিচে মাসুম মিয়ার স্বজনরা

গাজীপুর ৩ আসনে একজন পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে উন্নয়ন করবো এলাকায় আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন

গাজীপুর প্রতিনিধি

সামনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগ্রহী সংসদ সদস্য প্রার্থীরা স্ব স্ব অবস্থান থেকে প্রার্থিতা ঘোষণা দিয়ে এলাকায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা গাজীপুর ৩ আসনে, ইতিমধ্যে জনগণের মুখে আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাজুর রহমান মিলনের নাম বেরিয়ে আসছে। জনপ্রিয়তায় শীর্ষে থাকা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন তার সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণাও চালিয়ে যাচ্ছেন। ভোটার ,সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের সাথে তিনি যোগাযোগ রাখছেন। আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন  গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। দুই দুইবার তিনি বিপুল ভোটে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এলাকায় যথেষ্ট উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি রেখেছেন উন্নয়নের বহু স্বাক্ষর। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষার বিধবা, মাতৃত্বকালীন, বয়স্ক সহ নানান ভাতা প্রদান, রাস্তাঘাট নির্মাণ সহ যথেষ্ট কাজ করেছেন। মির্জাপুর ইউনিয়নকে তিনি করেছিলেন উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। এই হিসেবে ভালোবেসে সাধারণ ভোটাররা তাকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। নিজের উদ্যোগেও বিভিন্ন সময় তিনি হতদরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে আর্থিক সহায়তা দান করেন। গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বিকেবাড়ি এলাকার এক ধনাঢ্য পরিবারে ইজাদুর  রহমানের জন্ম। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন পার্শ্ববর্তী ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের ভবানীপুরে প্রতিষ্ঠা করেছেন মুক্তিযোদ্ধা কলেজ। ওই কলেজে তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ। মুক্তিযোদ্ধা কলেজ এখন ছড়াচ্ছে শিক্ষার আলো। ছাত্র জীবন থেকে অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন জনতার কাতারে থেকে নানামুখী সেবামূলক কাজে জড়িত থেকেছেন। জেলা ব্যাপী বিভিন্ন মহলে তার রয়েছে সুনাম।এই সুনাম ও জনপ্রিয়তার পথ ধরে  ইজাদুর রহমান মিলন আশাবাদী যে তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন। এলাকায় ৫০০ শয্যার আধুনিক  হাসপাতাল নির্মাণের ছক এঁকেছেন ইতিমধ্যে। যার মাধ্যমে মানুষ পাবে চিকিৎসা সেবা। চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, অবৈধ ব্যবসা নির্মূল করার জন্য তিনি গুরুত্ব দিবেন নির্বাচিত হলে। তিনি প্রতিদিন নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে ভোটারদের সাথে সংযোগ চালাচ্ছেন। ব্যাপক সাড়াও পাচ্ছেন। সদর উপজেলার পিরুজালী, মির্জাপুর ভাওয়াল গড় ইউনিয়ন, রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, ও শ্রীপুরের গ্রামে গ্রামে তিনি  চষে বেড়াচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি সংবাদ কর্মীদের নিয়ে তার প্রার্থিতার কথা ব্যক্ত করেছেন। জীবনের বাকিটা সময় তিনি জনগণের সেবা করে যাবেন বলে দোয়াও চেয়েছেন। আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন বলেন, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে আমি সীমিত সময় পেয়েছিলাম। চাহিদা মোতাবেক উন্নয়ন করতে পারিনি। সামনের সুযোগ পেলে ব্যাপক উন্নয়ন করব। জনগণের পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে জনগণকে নিয়েই এগিয়ে যাব। গাজীপুর তিন এলাকায় থাকবে না জবরদখল ,ঝুট ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম। সাধারণ জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।



ফেসবুকে আমরা