অদ্য ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. তারিখে নীলফামারী জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ডোমার উপজেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের সময় জনাব জাফর ইকবাল (পলাশ) এর মালিকানাধীন মেসার্স শালকী ব্রিকস ইটভাটাকে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ধারা ৫(১) লঙ্ঘন করে কৃষিজমি বা টিলা হতে মাটি কাটিয়ে ইট উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করার দায়ে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। এ সময় ইটভাটার সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং ভবিষ্যতে ভাটা পরিচালনা না করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অভিযান চলাকালীন একইদিনে ডুগডুগী বড়গাছা এলাকায় কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে পুকুর ভরাটের অভিযোগে সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সতর্ক করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে মাটি উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ তানজীর ইসলাম। প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। অভিযানে নীলফামারী জেলা পুলিশ এবং ডোমার থানা পুলিশের চৌকস সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নীলফামারী জেলার ইটভাটাসমূহের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।