ভাবতেও পারেননি জীবনের এই প্রান্তে এসে আবার খেলায় নামতে হবে, তাও এমন এক খেলা যার নাম ‘সতীনের ছেলে’। ছোটবেলায় মেয়েদের মুখে শুনতেন এই নাম, হাসতেনও বটে‘সতীনের ছেলে’: বন্ধুত্ব, ষড়যন্ত্র আর জীবনের হাস্যরঙ্গমঞ্চে শাহান সাহাবুদ্দিন ১৯ অক্টোবর ২০২৫ ভাবতেও পারেননি জীবনের এই প্রান্তে এসে আবার খেলায় নামতে হবে, তাও এমন এক খেলা যার নাম ‘সতীনের ছেলে’! ছোটবেলায় মেয়েদের মুখে শুনতেন এই নাম, হাসতেনও বটে কৌতূহল মিশ্রিত বিস্ময়ে ভাবতেন, এমন নামের খেলাও নাকি হয়! কিন্তু এবার সেই নামই ফিরে এলো জীবনের বাস্তব মঞ্চে। আশৈশবের দুষ্টু বন্ধুদের পরিকল্পনায় কবি, লেখক ও সাংবাদিক শাহান সাহাবুদ্দিন নিজেকে খুঁজে পেলেন এক অদ্ভুত খেলার ভেতর যেখানে হাসি, খুনসুটি আর বন্ধুত্বের ছলচাতুরী মিলেমিশে তৈরি হলো এক অভিনব অভিজ্ঞতা। খেলার শুরুটা ছিল আগুন ধরানো উচ্ছ্বাসে ভরা। চারদিকে হাসির রোল, দুষ্টুমি, ঠাট্টা আর পুরনো দিনের রসিকতায় মেতে উঠলেন সবাই। সময় যেন পেছনে ফিরে গেলবস্কুলের মাঠে, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের আড্ডায়, তারুণ্যের অবাধ হাসিতে। বয়সের ভার মুছে গিয়ে তারা হয়ে উঠলেন কিশোর, যে হাসে, প্রতারণায় মজা পায়, আবার পরক্ষণেই নিজের ওপরই হাসে। কবি পরে মজার ছলে লিখেছেন, কোনদিন এমন পর্বে অংশগ্রহণ করবো ভাবিনি। আশৈশব ও চিরদিনের বন্ধুদের সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত দুষ্টুদের ষড়যন্ত্রে আমি বাদ পড়ে যাই। অবশ্য এরাও ঘরে ফিরতে পারে নি! রেস থেকে ছিটকে গেছে মঞ্জিলে পৌঁছার আগেই! এই হয়, এটাই আসল মজা! শেষটা ছিল মজার মধ্যেও একরকম দার্শনিক। ষড়যন্ত্রের নাটকে লেখক বাদ পড়ে গেলেন, কিন্তু হাসলেনও। কারণ তাঁর চোখে বাদ পড়াটাই যেন আসল জয়। তিনি বলেন ওরাও ফিরতে পারেনি ঘরে; সবাই মঞ্জিলে পৌঁছানোর আগেই রেস থেকে ছিটকে গেল! বন্ধুত্ব, রসিকতা আর জীবনের নাটকীয়তার এক চমৎকার সংমিশ্রণ এই অভিজ্ঞতায় প্রকাশ পেয়েছে। এই খেলায় জয়-পরাজয় নেই, আছে কেবল অংশগ্রহণের আনন্দ। হাসির আড়ালে লুকিয়ে আছে জীবনের গভীর ইঙ্গিত আমরা সবাই কোনো না কোনো সময়ে এমন খেলায় যুক্ত হই, যেখানে ষড়যন্ত্রও মিষ্টি, আর বাদ পড়াও আনন্দের শেষে শাহান সাহাবুদ্দিন যেন দর্শক হয়েই দেখেন জীবনকে। একটি বিশাল মঞ্চ, যেখানে সবাই অভিনয় করছে নিজের মতো করে; কেউ ছিটকে যাচ্ছে, কেউ হাসছে, কেউ হেরে গিয়ে তৃপ্ত। আর মঞ্চের শেষে থাকে একটাই সত্যজীবনের নাটকে বাদ পড়াও কখনও কখনও সবচেয়ে বড়ো অভিনয়। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ বন্ধুত্বের হাস্যরস ও জীবনের রঙ্গমঞ্চে ‘সতীনের ছেলে’ খেলায় অংশ নিলেন কবি, লেখক ও সাংবাদিক শাহান সাহাবুদ্দিন। কৌতূহল মিশ্রিত বিস্ময়ে ভাবতেন, এমন নামের খেলাও নাকি হয়! কিন্তু এবার সেই নামই ফিরে এলো জীবনের বাস্তব মঞ্চে। আশৈশবের দুষ্টু বন্ধুদের পরিকল্পনায় কবি, লেখক ও সাংবাদিক শাহান সাহাবুদ্দিন নিজেকে খুঁজে পেলেন এক অদ্ভুত খেলার ভেতর যেখানে হাসি, খুনসুটি আর বন্ধুত্বের ছলচাতুরী মিলেমিশে তৈরি হলো এক অভিনব অভিজ্ঞতা। খেলার শুরুটা ছিল আগুন ধরানো উচ্ছ্বাসে ভরা। চারদিকে হাসির রোল, দুষ্টুমি, ঠাট্টা আর পুরনো দিনের রসিকতায় মেতে উঠলেন সবাই। সময় যেন পেছনে ফিরে গেল স্কুলের মাঠে, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের আড্ডায়, তারুণ্যের অবাধ হাসিতে। বয়সের ভার মুছে গিয়ে তারা হয়ে উঠলেন কিশোর, যে হাসে, প্রতারণায় মজা পায়, আবার পরক্ষণেই নিজের ওপরই হাসে। কবি পরে মজার ছলে লিখেছেন, কোনদিন এমন পর্বে অংশগ্রহণ করবো ভাবিনি। আশৈশব ও চিরদিনের বন্ধুদের সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত দুষ্টুদের ষড়যন্ত্রে আমি বাদ পড়ে যাই। অবশ্য এরাও ঘরে ফিরতে পারে নি! রেস থেকে ছিটকে গেছে মঞ্জিলে পৌঁছার আগেই! এই হয়, এটাই আসল মজা! শেষটা ছিল মজার মধ্যেও একরকম দার্শনিক। ষড়যন্ত্রের নাটকে লেখক বাদ পড়ে গেলেন, কিন্তু হাসলেনও। কারণ তাঁর চোখে বাদ পড়াটাই যেন আসল জয়। তিনি বলেন ওরাও ফিরতে পারেনি ঘরে; সবাই মঞ্জিলে পৌঁছানোর আগেই রেস থেকে ছিটকে গেল! বন্ধুত্ব, রসিকতা আর জীবনের নাটকীয়তার এক চমৎকার সংমিশ্রণ এই অভিজ্ঞতায় প্রকাশ পেয়েছে। এই খেলায় জয়-পরাজয় নেই, আছে কেবল অংশগ্রহণের আনন্দ। হাসির আড়ালে লুকিয়ে আছে জীবনের গভীর ইঙ্গিত আমরা সবাই কোনো না কোনো সময়ে এমন খেলায় যুক্ত হই, যেখানে ষড়যন্ত্রও মিষ্টি, আর বাদ পড়াও আনন্দের। শেষে শাহান সাহাবুদ্দিন যেন দর্শক হয়েই দেখেন জীবনকে। একটি বিশাল মঞ্চ, যেখানে সবাই অভিনয় করছে নিজের মতো করে; কেউ ছিটকে যাচ্ছে, কেউ হাসছে, কেউ হেরে গিয়ে তৃপ্ত। আর মঞ্চের শেষে থাকে একটাই সত্য জীবনের নাটকে বাদ পড়াও কখনও কখনও সবচেয়ে বড়ো অভিনয়। ক্যাপশন ১৯ অক্টোবর ২০২৫ বন্ধুত্বের হাস্যরস ও জীবনের রঙ্গমঞ্চে ‘সতীনের ছেলে’ খেলায় অংশ নিলেন কবি, লেখক ও সাংবাদিক শাহান সাহাবুদ্দিন।