June 2, 2026, 5:37 pm
শিরোনাম:
মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরী লামিয়া নিখোঁজ, সন্ধান কামনা পরিবারের হারানো বিজ্ঞপ্তি হজ শেষে দেশে ফিরেই প্রয়াত বিএনপি নেতা ইমান আলীর কবর জিয়ারত করলেন জয়নাল আবেদীন রিজভী অবশেষে বৃষ্টি, স্বস্তিতে পাখিরাও পিরুজালী ইউনিয়ন কৃষক দলের ৪১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন, সভাপতি শুভ ও সম্পাদক ফারুক চিকিৎসা সেবার প্রধান ভরসাস্থল গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী কার্তিক চন্দ্র সাহা আর নেই গাজীপুর সাফারি পার্কে দর্শনার্থীদের ভীড় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে গাজীপুরবাসী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জিয়া পরিষদ নেতা মোঃ মাফিকুর রহমান সেলিম পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে গাজীপুরবাসী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জিয়া পরিষদ নেতা মোঃ মাফিকুর রহমান সেলিম ঈদুল আজহা উপলক্ষে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান এর শুভেচ্ছা বার্তা

মা দিবস : ইতিহাস, তাৎপর্য ও উদযাপন, মেধাবীবন্ধু এডভোকেট পারভিন এর অভিব্যক্তি থেকে নেয়া , তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য

হাবিবুর রহমান গাজীপুর

মা দিবস হলো মায়েদের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি বিশেষ দিন। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই কোনো না কোনোভাবে এই দিনটি পালন করা হয়। মা শুধু জন্মদাত্রী নন—তিনি সন্তানের প্রথম শিক্ষক, আশ্রয়, সাহস ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতীক। তাই মাকে সম্মান জানাতেই মা দিবসের প্রচলন। মা দিবস কবে পালিত হয়? বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার মা দিবস পালন করা হয়। তবে বিভিন্ন দেশে তারিখ ভিন্ন হতে পারে। যেমন—যুক্তরাজ্যে “Mothering Sunday” পালিত হয় মার্চ মাসে। কিছু আরব দেশে মার্চের ২১ তারিখে মা দিবস পালন করা হয়।মা দিবসের ইতিহাস মা দিবসের আধুনিক ধারণার সূচনা হয় যুক্তরাষ্ট্রে। আনা জার্ভিসের অবদান একজন আমেরিকান নারী Anna Jarvis (আনা জার্ভিস) তার মায়ের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে মা দিবস পালনের উদ্যোগ নেন। তার মা ছিলেন সমাজসেবী ও শান্তিকর্মী।১৯০৮ সালে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে মা দিবস উদযাপন করা হয়। পরে আনা জার্ভিসের প্রচেষ্টায় ১৯১৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে জাতীয় মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন।এরপর ধীরে ধীরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই দিনটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মা দিবসের গুরুত্ব মা দিবস শুধু একটি আনুষ্ঠানিক দিন নয়; এটি মায়ের অবদান স্মরণ করার দিন। একজন মা—সন্তানের সুখের জন্য নিজের স্বপ্ন ত্যাগ করেন, অসুস্থতায় রাত জেগে পাশে থাকেন, সন্তানকে নৈতিকতা ও মানবিকতা শেখান, পরিবারকে ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন। তাই মা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়— মায়ের ঋণ কখনো শোধ করা যায় না, শুধু ভালোবাসা ও সম্মান দিয়ে তাকে অনুভব করানো যায়। কীভাবে মা দিবস উদযাপন করা হয়? মানুষ নানা উপায়ে এই দিনটি উদযাপন করে। যেমন—শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা প্রকাশ। মাকে  ভালোবাসি বলাকার্ড, ফুল বা ছোট উপহার দেওয়া মায়ের জন্য কবিতা বা চিঠি লেখা মায়ের সঙ্গে সময় কাটানো একসঙ্গে খাওয়া বা ঘুরতে যাওয়া মায়ের পছন্দের খাবার রান্না করা। সম্মান ও যত্ন মায়ের কাজ ভাগ করে নেওয়া অসুস্থ বা বৃদ্ধ মায়ের পাশে থাকা বৃদ্ধাশ্রমে থাকা মায়েদের খোঁজ নেওয়া ইসলাম ও বাংলা সংস্কৃতিতে মায়ের মর্যাদা ইসলামে মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। হাদিসে এসেছে—মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত। বাংলা সাহিত্যেও মাকে ভালোবাসা ও ত্যাগের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে। কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ বহু কবি-সাহিত্যিক তাঁদের লেখায় মায়ের মহিমা তুলে ধরেছেন। মা দিবসের বার্তামা দিবসের মূল শিক্ষা হলো—মাকে শুধু একটি দিনে নয়, প্রতিদিন সম্মান করা, তার অনুভূতি বোঝা, তার ত্যাগের মূল্য দেওয়া, জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও তাকে সময় দেওয়া। কারণ পৃথিবীতে নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সবচেয়ে বড় নাম—মা।



ফেসবুকে আমরা