গাজীপুরে স্ত্রী ও তিন কন্যাসহ পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। রোববার স্থানীয় কাপাসিয়া থানায় ওই মামলা দায়ের করেন হত্যার শিকার শারমিনের পিতা শাহাদাত হোসেন। শুক্রবার রাতে স্বামী ফুরকান মিয়ার হাতে নিহত হন স্ত্রী শারমিন, তার তিন শিশু কন্যা ও শ্যালক রাসুল মিয়া। হত্যার শিকার পাঁচ জনের নিথর দেহ ময়নাতদন্ত শেষে গোপালগঞ্জে তাদের নিজ এলাকায় রোববার দাফন সম্পন্ন হয়। জানাযায় শরিক হন হাজারো মানুষ। এদিকে জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়ার নির্দেশে কাপাসিয়ার রাউতকোনা এলাকায় একই পরিবারের ৫ জন নিহতের ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন, কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তামান্না তাসনীম, সহকারী কমিশনার (ভূমি )নাহিদুল হক, ও জেলা প্রশাসন, গাজীপুর এর দুইজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের কার্যক্রম শেষে নিহতদের লাশ গোপালগঞ্জ পাঠানো হয় । উল্লেখ্য যে, গত শনিবার গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলাধীন সদর ইউনিয়নের রাউতকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেন এর বসতবাড়ি থেকে শারমিন খানম (৩৫), রসুল (২২), তিন কন্যা সন্তান- মিম (১৬), মারিয়া (০৮) ও ফারিয়া (০২) এর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সামাজিক মাধ্যম ও এলাকাবাসীর মাধ্যমে ঘটনাটি শুনে হাজারো মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে যান । অনেকেই হন অশ্রুসিক্ত। নৃশংস এই ঘটনায় ঘাতক স্বামী ফোরকান মিয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি উঠেছে সর্বমহলে।